বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাংবাদিক মাহফুজ আলী কাদেরীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কোটি মানুষের জানাজায় রাখাল রাজার পাশে রাখাল রানী সমাহিত আপেষহীন নেত্রী তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া নেই আগামী দিনের রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কেমন হবে জানালেন যুগ্ম আহ্বায়ক অভি পাবনাে ভাঙ্গুড়ায় বিস্ফোরণ মামলায় পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেফতার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন নীলফামারী-১ আসনে প্রকৌশলী তুহিনকে মনোনয়নের দাবিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ চরহনুমন্ত নগরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ, পালিয়েছে পাচারকারী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলন: ভালো বাজার আবহাওয়ায় ও আশা বাড়াল কৃষকের

আমার একটি পরিকল্পনা আছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য- তারেক রহমান

আমার একটি পরিকল্পনা আছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য- তারেক রহমান আমার একটি পরিকল্পনা আছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য- তারেক রহমান

Reading Time: 6 minutes

ডেক্স নিউজ, ডেইলি সারাবাংলা ২৪ :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন তিনি। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে গণসংবর্ধনায় যোগ দেন। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থলপুরো পথে ছিলো লাখো লাখো নেতাকর্মীর স্রোত।

পরে লাখো  লাখো জনতাকে অভিবাদন জানাতে জানাতে মঞ্চে এসে পৌঁছান বিকেল পৌনে ৪টার দিকে। এরপর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে মঞ্চে আসন নেন। পরবর্তীতে তাকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

প্রখ্যাত আফ্রিকানআমেরিকান মানবাধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিংয়ের আই হ্যাভ ড্রিম প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আই হ্যাভ প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি (আমার একটি পরিকল্পনা আছে দেশ দেশের মানুষের জন্য) যদি দেশের মানুষের জন্য সেই প্ল্যানকে বাস্তবায়ন করতে হয়, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতেবিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি কথা বলেন। 

তারেক জিয়া ভাষনের শুরুতে উপস্থিত প্রিয় মুরুব্বিবর্গ, মঞ্চে উপস্থিত জাতীয় নেতৃবৃন্দ, আমার সামনে উপস্থিত প্রিয় ভাই বোনেরা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যারা দেখছেন এই অনুষ্ঠান, প্রিয় ভাইবোনেরা, প্রিয় মাবোনেরা, আসসালামু আলাইকুম।

তারেক রহমান রাব্বুল আলামীনের দরবারে হাজারো লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানিয়ে বলেন, রাব্বুল আলামীনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি, আপনাদের দোয়ায়, আপনাদের মাঝে।

আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ৭৫ আবার ৭ই নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ৯০ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণ, এদেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু, তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ২০২৪ সালে ৭১ সালে এই দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ২০২৪ সালে এদেশের ছাত্রজনতাসহ সর্বস্তরের মানুষকৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারীপুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত নির্বিশেষে শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ সেদিন ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।

 

বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে। প্রিয় ভাইবোনেরা, আজ আমাদের সময় এসেছে, সকলে মিলে দেশকে গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে। এই দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব আমরা, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু, যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ইনশাআল্লাহ ঘরে ফিরে আসতে পারে।

এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য পাঁচ কোটির মতন শিশু, ৪০ লক্ষের মতন প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন, কয়েক কোটি কৃষকশ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। এই মানুষগুলোর একটি আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই। আজ আমরা যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হইতাহলে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।

৭১ সালে আমাদের শহীদরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এইরকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য। বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে শত শত হাজারো গুমখুনের শিকার হয়েছে শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়, নিরহ মানুষও প্রতিবাদ করতে গিয়ে অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছে, জীবন দিয়েছে। ২০২৪ সাল মাত্র সেদিনের ঘটনা। কীভাবে আমরা দেখেছি, আমাদের তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা কীভাবে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে দেশের এই স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য।

কয়েকদিন আগে এই বাংলাদেশের ২৪ এর আন্দোলনের এক সাহসী প্রজন্মের এক সাহসী সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছে। ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। আজ ২৪ এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ওসমান হাদিসহ, ৭১ যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে খুনগুমের শিকার হয়েছেন, এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলবোযেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব, যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো।

বিভিন্ন আধিপত্যবাদ শক্তির গুপ্তচরেরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখনও লিপ্ত রয়েছে। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে। আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন আপনারাই আগামীদিন দেশকে নেতৃত্ব দিবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন। এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদেরকে আজ গ্রহণ করতে হবে, যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি শক্ত ভিত্তির উপরে। গণতান্ত্রিক ভিত্তি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরে যাতে এই দেশকে আমরা গড়ে তুলতে পারি।

আমার সাথে আজকে মঞ্চে এখানে বহু জাতীয় নেতৃবৃন্দ বসে আছেন। আসুন আজকে আমরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করিআল্লাহর রহমত আমরা চাই যেযেসকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ এই মঞ্চে আছেন, মঞ্চের বাইরে যে সকল জাতীয় আরো নেতৃবৃন্দ আছেন, আমরা সকলে মিলে এই দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সেই বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। আমাদেরকে যেকোনো মূল্যে যে কোন মূল্যে আমাদেরকে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যে কোন উস্কানির মুখে আমাদেরকে ধীর শান্ত থাকতে হবে।

আমরা দেশের শান্তি চাই। আমরা দেশের শান্তি চাই। আমরা দেশে শান্তি চাই। তিনি বলেন, আপনারা মার্টিন লুথার কিং এর নাম শুনেছেন না ? মার্টিন লুথার কিং, তার একটি বিখ্যাত ডায়লগ আছে, ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সকলের সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই, ‘আই আই হ্যাভ অ্যা প্লান ফর দ্য পিপল অফ মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।

প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে। আপনারা যদি আমাদের সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ, আই হ্যাভ প্ল্যান, আমরা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য, যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, এই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তি যত মানুষ উপস্থিত আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ, আমরাআই হ্যাভ প্ল্যানবাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব। আসুন আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি, আমরা যেন হে রাব্বুল আলামীন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমত দানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী, আজ আপনি যদি আমাদেরকে রহমত দেন তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।

 

আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া এই দেশের মানুষের উপরে এই দেশের উপরে থাকে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে, ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবে, আমরা সকলে নবী করীম (সা) ন্যায়পরণয়তা, সেই ন্যায়পরাণয়তার আলোকে আমরা দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

আপনারা জানেন এখান থেকে আমি আমার মা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কাছে যাব। একটি মানুষ যে মানুষটি এই দেশের মাটি, এই দেশের মানুষকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবেসেছেন, তার সাথে কি হয়েছে আপনারা প্রত্যেকটি মানুষ সে সম্পর্কে অবগত আছেন। সন্তান হিসাবে আপনাদের কাছে আমি চাইব, আজ আল্লাহর দরবারে আপনারা দোয়া করবেন, যাতে আল্লাহ উনাকে তৌফিক দেন, উনি যাতে সুস্থ হতে পারেন।

সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু সেই মানুষটি যাদের জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছে, অর্থাৎ আপনারা, এই মানুষগুলোকে যাদের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই মানুষগুলোকে আমি কোনভাবেই ফেলে যেতে পারি না এবং সেজন্যই আজ হাসপাতালে যাবার আগে আপনাদের প্রতি সহ টেলিভিশনগুলোর মাধ্যমে যারা সমগ্র বাংলাদেশে আমাকে দেখছেন, আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি আপনাদের সামনে।

আসুন আমাদেরকে আজকে নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যে ধর্মের মানুষ হই, আমরা যে শ্রেণীর মানুষ হই, আমরা যে দলেরই রাজনৈতিক দলের সদস্য হই, অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই, আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে, যেকোন মূল্যে আমরা আমাদের এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলাকে ধরে রাখতে হবে। যেকোন মূল্যে যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক, যেকোনো বয়স, যেকোনো শ্রেণী, যেকোনো পেশা যেকোনো ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকেএই হোক আমাদের চাওয়া আজকে।

আসুন সবাই মিলে আজ আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো মোদের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।

আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চেয়ে, আবারো সকলকে যেকোনো মূল্যে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে, যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিহার করে, ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বক্তব্য শেষ করেন। আবারো আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আজকে আমাকে এভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

বক্তব্য শেষ করার পর যখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি) অনুষ্ঠান শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন আবারও মাইকের সামনে এসে তারেক রহমান বলেন, মনে রাখবেন, উই হ্যাভ প্ল্যান। উই হ্যাভ প্ল্যান ফর দ্য পিপল, ফর দ্য কান্ট্রি। ইনশা আল্লাহ, আমরা সেই প্ল্যান বাস্তবায়ন করব।

সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), জেড এম জাহিদ হোসেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন।

ছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com